1. admin@eibangla.live : admin :
শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:১৯ অপরাহ্ন

পাবনায় দাদি-নাতনিকে হত্যা, দুজনকে আটক করেছে পুলিশ

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৩ বার পঠিত

পাবনার ঈশ্বরদীতে দাদি (৬৫) ও নাতনির (১৫) লাশ উদ্ধার ঘটনায় আজ শনিবার দুজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। দুজনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। রহস্য উদ্‌ঘাটনে জেলা পুলিশের একাধিক দল মাঠে নেমেছে বলে জানিয়েছেন জেলার পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ।

আজ সকালে নিজ বাড়ির উঠান থেকে দাদির এবং পাশের শর্ষেখেত থেকে নাতনির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। কিশোরী স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় নবম শ্রেণিতে পড়ত। পুলিশের ধারণা, কিশোরীকে অপহরণে বাধা দেওয়ায় প্রথমে দাদিকে এবং ধর্ষণের পর নাতনিকে হত্যা করা হয়েছে।দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, টিনের দুটি ঘর নিয়ে বাড়িটি। বাড়ির পেছনে ফসলের মাঠ। টিনের এই বাড়ির উঠানে দাদির এবং পেছনের ফসলের মাঠ থেকে নাতনির লাশ উদ্ধার হয়েছে। দাদি-নাতনির লাশ উদ্ধারের খবরে শত শত নারী-পুরুষ ভিড় জমিয়েছেন বাড়িটিতে। স্বজনদের আহাজারি থামছে না, তাঁদের থামানোর চেষ্টা করছেন প্রতিবেশীরা।

স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, মেয়েটির মা–বাবা আলাদা থাকেন। বাবা কাজের তাগিদে বেশ কিছুদিন ধরে ঢাকায় আছেন। বাড়িতে শুধু দাদি ও নাতনি ছিলেন। গতকাল শুক্রবার রাতে ওই বাড়ি থেকে হঠাৎ কান্নার শব্দ শোনা গিয়েছিল। এ সময় কয়েকজন প্রতিবেশী ঘর থেকে বের হলেও কিছুক্ষণ পর শব্দ থেমে যাওয়ায় তাঁরা নিজেদের ঘরে ফিরে যান।

সকালে প্রতিবেশীরা বাড়ির উঠানে দাদির রক্তাক্ত লাশ দেখতে পান। নাতনিকে ঘরে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। একপর্যায়ে পাশের একটি শর্ষেখেতে কিশোরীর লাশ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। পরে থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ গিয়ে লাশ দুটি উদ্ধার করে।

প্রতিবেশীদের কয়েকজন দাবি করেন, মা-বাবা আলাদা থাকায় মেয়েটি দাদির কাছে থাকত। বাবা কাজের তাগিদে প্রায়ই বাইরে থাকতেন। এই সুযোগে গ্রামের অনেকেই তাকে উত্ত্যক্ত করত।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2025
Design By Smart iT Host